=উত্তর: ইসলামে চাওয়া (দোয়া ও সাহায্য) একমাত্র আল্লাহর কাছেই করতে হয়।
মাজারে গিয়ে কোনো পীর, ওলি বা মৃত ব্যক্তির কাছে কিছু চাওয়া জায়েজ নয় এবং এটা গুনাহ। বরং আল্লাহ ছাড়া অন্যের কাছে চাওয়া করলে তা শিরক—যা সবচেয়ে বড় গুনাহ।
মৃত ব্যক্তি নিজেও আল্লাহর মুখাপেক্ষী। সে কারও উপকার বা ক্ষতি করার ক্ষমতা রাখে না।
📚 কুরআন থেকে দলিল:
“তোমরা আল্লাহ ছাড়া এমন কাউকে ডেকো না, যে তোমাদের উপকারও করতে পারে না, ক্ষতিও করতে পারে না।”
—📖-সূরা ইউনুস: ১০৬
-答え:
良い人であるだけでは十分ではありません。信仰(イーマーン)と行い(善行)の両方が必要です。
信仰のない行いは受け入れられず、行いのない信仰は完成しません。
イスラームは人生全体を導く完全な生き方です。
=উত্তর : হ্যাঁ, গুনাহ। ভাগ্য জানা বা ভবিষ্যৎ বলার বিশ্বাস হারাম।
রাসূল ﷺ বলেছেন:
“যে গণকের কাছে গেল এবং তার কথা বিশ্বাস করল, সে মুহাম্মদের ওপর নাজিলকৃত বিষয়ের প্রতি কুফরি করল।”
(📖-মুসনাদ আহমদ)
= উত্তর: না, লটারি বা যেকোনো ধরনের জুয়া ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং হারাম। এতে মানুষের কষ্টার্জিত সম্পদ অন্যায্যভাবে হাতিয়ে নেওয়া হয়।
📔কুরআন থেকে দলিল:
“হে মুমিনগণ! নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্য নির্ণায়ক শর (তীর) এসব শয়তানের কাজ; সুতরাং তোমরা এগুলো বর্জন করো, যাতে তোমরা সফল হতে পারো।”
—📖 সূরা আল-মায়িদাহ: ৯০
= উত্তর: না। কবরে শায়িত ব্যক্তি যত বড়ই বুজুর্গ হোন না কেন, তিনি দুনিয়াবি কোনো কাজ করার ক্ষমতা হারিয়েছেন। আল্লাহর কাছে সুপারিশ করার ক্ষমতাও একমাত্র আল্লাহ যাকে দিবেন তিনিই পাবেন। তাই সরাসরি কবরের কাছে গিয়ে সুপারিশ চাওয়া জায়েজ নয়।
📔কুরআন থেকে দলিল:
“বলুন, সমস্ত সুপারিশ আল্লাহরই মালিকানাধীন। আকাশমন্ডল ও পৃথিবীর রাজত্ব তাঁরই।”
—📖 সূরা আয-যুমার: ৪৪
-Cevap:
Düzenli olarak farz ibadetleri yerine getirmek, namaz kılmak, tövbe etmek ve salih ameller işlemekle küçük günahlar bağışlanır.
Ancak küçük günahları hafife almak, onların büyük günahlara dönüşmesine sebep olabilir.
= উত্তর: না -জিকির হতে হবে ধীরস্থির এবং বিনয়পূর্ণ। জিকিরের সময় নাচানাচি, লাফালাফি বা বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার করা বিদআত এবং ইবাদতের আদব পরিপন্থী। সাহাবায়ে কেরাম কখনো এভাবে জিকির করেননি।
📔কুরআন থেকে দলিল:
“তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ডাকো বিনীতভাবে এবং সংগোপনে; নিশ্চয়ই তিনি সীমা লঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না।”
—📖 সূরা আল-আরাফ: ৫৫